ভালো লাগা
গতকাল বাসার নীচে কমার্শিয়াল ক্লিনিকে গেলাম পায়ের আঙ্গুলের একটি আঁচিলের গর্দান কর্তন করতে। সরকারি পলিক্লিনিকে কয়েক বার তরল নাইট্রোজেন দিয়ে আঁচিলটা পুড়িয়ে দিয়েছে, তবে হত্যা করতে পারেনি। যাহোক, ডেরমাটোলজিস্ট দেখে জিজ্ঞেস করলেন
- অপসারণ করব?
- করুন।
- আপনি ইন্ডিয়া থেকে?
- না, বাংলাদেশ থেকে। আমরা প্রতিবেশী দেশ।
- জানি। আমাদের ব্যাচে দুই জন বাংলাদেশী ছাত্র ছিল।
- আচ্ছা! আপনি কোথায় পড়াশোনা করেছেন?
- ত্ভের মেডিক্যাল ইনস্টিটিউটে। ওরা ছিল ব্যাচের সেরা ছাত্র।
- আমাদের দেশ থেকে অনেকেই এখানে ভালো ফলাফল করে দেশে বিদেশে কাজ করে।
- কেন? দেশে সুযোগের অভাব?
- সেটা আছে। তবে বিশেষ করে ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে অনেকেই এক সময় ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এসব জায়গায় চলে যায়।
- আপনি কি জেআইএন আর এ কাজ করেন?
- হ্যাঁ।
- ভালো লাগে?
- এখানে আমি ৩২ বছর কাজ করছি। ভালো না লাগলে কি আর থাকি?
- চিকিৎসা শেষ। কয়েক দিন বাসায় ড্রেসিং করতে হবে।
- অনেক ধন্যবাদ।
ওখান থেকে বেরিয়ে বেশ ভালো লাগলো। জানি না ও কোন সালে পাশ করেছে। বা কে ওর সহপাঠী ছিল। তবে বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা ক্লাসের সেরা ছাত্র ছিল জেনে খুব ভাল লাগল।
দুবনা, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
Comments
Post a Comment